ইরানের নারী ফুটবল দলের আরো দুই সদস্যকে মানবিক ভিসা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে দলের পাঁচজন খেলোয়াড়কে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সাতজন দলীয় সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় পেয়েছেন।
বুধবার সাংবাদিকদের অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানান, দলের একজন খেলোয়াড় এবং একজন সহায়ক স্টাফ অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সিডনি বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়ার আগে তারা আশ্রয়ের আবেদন করেন। বার্ক বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা চেকপয়েন্টে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা ও দোভাষীরা ইরানি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছাড়াই খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন এবং তাদের আশ্রয়ের প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, ‘তাদের সামনে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। আমরা নিশ্চিত করেছি যাতে কোনো তাড়াহুড়া বা চাপ না থাকে।’
অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় চাওয়া সাতজন ইরানি নারী ফুটবল খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন হঠাৎ ফিরতে চাওয়ায় বাকি ছয়জনকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) পার্লামেন্টে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক।
তিনি বলেন, এক খেলোয়াড় তার কিছু সহকর্মীর পরামর্শ অনুসরণ করে ফিরে যেতে চেয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তার সহকর্মী ও কোচ তাকে ইরানি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এর ফলে দূতাবাস জানতে পেরে যায় সকলের অবস্থান। আমি সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদে সরানোর নির্দেশ দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, এখন বাকি ছয়জন নিরাপদ স্থানে রয়েছেন এবং অস্ট্রেলীয় পুলিশের পাহারায় আছেন। তাদের সহকর্মীরা মঙ্গলবার রাতে সিডনি থেকে দেশত্যাগ করেছেন এবং শেষবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গেছে।
গত সপ্তাহে ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ার কারণে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যায়িত করেছিল। এরপর, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খেলোয়াড়দের দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, চিন্তা করার কিছু নেই— ইরান আপনাদের জন্য হাত প্রসারিত রেখেছে।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।