রংপুর বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের অভিনব পদ্ধতি

মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র এবং চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেন্ট ছাড়া অকটেন ও পেট্রোল সরবরাহ বন্ধ।বিঃদ্র : বোতল এবং জারকিনে অকটেন/পেট্রোল সরবরাহ নিষেধ। নিষেধক্রমে কর্তৃপক্ষ।

এমন নির্দেশনার পর ঠাকুরগাঁওয়ে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় কম দেখা যায়। যার ফলে ঠাকুরগাঁওয়ে সুশৃঙ্খল পরিবেশে তেল সংগ্রহ করছেন চালকরা।

মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র, চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং হেলমেট ছাড়া তেল দেওয়া হবে না এই নোটিশ অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও রোড কাদের ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল অকটেন নিতে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় কমে গেছে।

এতোদিন গাড়ির চালকরা যাচ্ছে তাই ভাবে তেল সংগ্রহে যুদ্ধে নামলেও সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে তেল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে বাইকারদের। এতে সাধারণ চালকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ঠাকুরগাঁওয়ের ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষ বাঁশ ও ড্রাম বা রশি টেনে এবং পেট্রোল বা অকটেন নেই নোটিশ টাঙ্গিয়ে দিয়ে একপ্রকার বন্ধ রেখেছেন পাম্প।

এদিকে মোটরসাইকেল চালকরা তেলের জন্য এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। মাঝে মধ্যে ২/১টি পাম্পে তেল দেওয়া হলেও চালকদের উপচে পড়া ভিড়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

বাইকাররা পাম্পে প্রবেশে হুড়োহুড়ি করায় পাম্প ঘিরে সব ধরণের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।তেল নেওয়ার পর মোটরসাইকেল চালকরা নিজেরা বের হওয়ার রাস্তাও পান না।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও রোডের কাদের ফিলিং স্টেশনে তেল দেওয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ।তবে মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র, হেলমেট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া তেল দেওয়া হবে না বলে নোটিশ টাঙ্গিয়ে দেয়।শুধু তাই নয় একসঙ্গে ৪টি মোটরসাইকেল প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।ওই ৪টি গাড়ি বের হওয়ার পর আরো ৪টি গাড়ি ঢুকার অনুমতি দেওয়া হয়।এভাবে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই লাইনে দাড়িয়ে সব ধরণের ভোক্তা তেল নেওয়ার সুযোগ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

নূর হোসেন নামে একজন কোম্পানির মাঠকর্মী জানান, আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি।আমার মতো অনেক ভাই কোম্পানির জন্য প্রতিদিন মাঠে যেতে হয়।কিন্তু সেই তুলনায় তেল পাচ্ছিনা।তেলের জন্য সকাল হলেই এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়।মাঝে মাঝে ২/১টি পাম্পে তেল দিলেও ভোক্তাদের উপচে পড়া ভিড়ে ঠিকমতো শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তেল নেওয়া যায় না।

আব্দুল করিম নামে একজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, কাদের পাম্প কর্তৃপক্ষ বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল না দেওয়ায় অনেক নাম্বারবিহীন গাড়ি তেলের জন্য দাড়ায় না। এ কারণে সুশৃঙ্খল পরিবেশে তেল নিতে পেরে ভালো লাগছে।তবে ২শ টাকার পরিবর্তে কমপক্ষে ৫শ টাকার তেল দিলে আমার তেলের দুঃশ্চিন্তা কেটে যেত।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel