রাজশাহী

বগুড়ায় বস্তার দাম বৃদ্ধি হওয়ায় হিমাগারে রাখতে পারছেন না আলু

দুপচাঁচিয়ায় আলু চাষিরা বস্তার দাম বৃদ্ধি হওয়ায় হিমাগারে রাখতে পারছেন না আলু। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কিছু পরিমাণ খালি বস্তা থাকলেও কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী বস্তা সরবরাহ করা যাচ্ছে না। দুপচাঁচিয়া ও তালোড়া বাজারের দোকানগুলোতে অল্প কিছু নতুন বস্তা দেখা গেলেও সেগুলোর দাম অনেক বেশি। গত বছর একটি নতুন বস্তার দাম ছিল ৮০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা, আর এবার সেই দাম দ্বিগুণ হয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ টাকা থেকে ১৭০ টাকায়।

সরেজমিনে বেড়াগ্রাম বাজারে আলু চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছর হিমাগারে আলু সংরক্ষণের জন্য ৭০ থেকে ৮০ টাকা দামে বস্তা কেনা হয়েছিল। এবার সেই বস্তার দাম ১২০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া পুরোনো বস্তা ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। বস্তার দাম বেশি হওয়ায় আলু চাষিরা হিমাগারে আলু রাখতে বস্তা সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। আলু চাষিরা আরও জানান, গত বছর আলুর প্রচুর ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছিলেন। এ বছর বাজারে আলুর দাম অনেক কম, তার ওপর বস্তার দামও দ্বিগুণ তাহলে কৃষকেরা যাবে কোথায়?

আলু চাষিরা বলেন, একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে বাজারে বস্তার দাম বৃদ্ধি তাদের জন্য বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলঙ্গি গ্রামের আলু চাষি হিমেল চন্দ্র বর্মনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি ১৬০ টাকা দরে নতুন ২৬টি বস্তা কিনে আলু ভরে হিমাগারে নিয়ে এসেছেন।

শহিদুল নামে এক আলু চাষি বলেন, তিনি ১৩টি নতুন বস্তা কিনে আলু ভরে হিমাগারে এনেছেন। গত বছর নতুন বস্তা ৮০ টাকা থেকে ৯৫ টাকায় কিনেছিলেন। এবার দ্বিগুণ দামে বস্তা কিনে হিমাগারে আলু রেখে আগের তুলনায় অর্ধেকেরও কম দাম পাওয়া যাবে।

মেসার্স ফাতেমা এন্ড ফাগুন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মান্নান খান (ফরেন) বলেন, তারা পাইকারি বাজার থেকে ১৫৫ টাকা থেকে ১৫৮ টাকা দরে বস্তা কিনে আনেন। তাদেরও কিছু লাভ করতে হয়। তাই সামান্য লাভ রেখে কৃষকদের কাছে বস্তা বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, তারা কখনো কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দাম নেন না। এমন অভিযোগ সঠিক নয়।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel