বিনোদন

‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’, পৃথিবী বাঁচাতে মহাকাশে রায়ান গসলিং

‘দ্য মার্শিয়ান’খ্যাত লেখক অ্যান্ডি ওয়েয়ারের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে পর্দায় এলো নতুন মহাকাশ থ্রিলার ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। ‘দ্য লেগো মুভি’খ্যাত পরিচালক জুটি ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলারের পরিচালনায় এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন হলিউড তারকা রায়ান গসলিং। তবে বড় ক্যানভাস আর ভিজ্যুয়াল জাঁকজমক সত্ত্বেও ছবিটি সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে।

ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে বিজ্ঞানী রাইল্যান্ড গ্রেসকে (রায়ান গসলিং) কেন্দ্র করে।

পৃথিবী যখন এক ভয়াবহ পরিবেশগত সংকটের মুখে এবং সূর্য যখন ধীরে ধীরে তার তেজ হারাচ্ছে, তখন মানবজাতিকে বাঁচাতে এক মহাজাগতিক মিশনে পাঠানো হয় তাকে। কয়েক দশকের দীর্ঘ কোমা থেকে জেগে উঠে রাইল্যান্ড দেখেন তিনি একাকী এক মহাকাশযানে, আর তার বাকি দুই সহকর্মী মৃত। স্মৃতি হাতড়ে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে বহু আলোকবর্ষ দূরে পাঠানো হয়েছে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
সিনেমার একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে রাইল্যান্ডের সাথে এক ভিনগ্রহী প্রাণীর (এলিয়েন) সম্পর্ক।

‘ইটি’ সিনেমার আদলে এখানেও এক আন্তঃগ্যালাক্টিক বন্ধুত্বের গল্প বলা হয়েছে। এলিয়েনটির সাথে রাইল্যান্ডের যোগাযোগের পদ্ধতি এবং তাদের মধ্যকার হাস্যরসাত্মক মুহূর্তগুলো দর্শকদের আনন্দ দেবে।
২ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট দীর্ঘ এই সিনেমাটি নিয়ে সমালোচকদের প্রধান আপত্তি এর গৎবাঁধা ধরণ। ছবির অনেক অংশই ‘ইন্টারস্টেলার’ বা ‘দ্য মার্শিয়ান’ এর মতো জনপ্রিয় সিনেমাগুলো থেকে অনুপ্রাণিত বলে মনে হয়।

একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক থেকে রাইল্যান্ডের হঠাৎ করে দক্ষ মহাকাশচারী হয়ে ওঠা এবং এলিয়েনের সাথে অতিদ্রুত সখ্য তৈরি হওয়াকে কিছুটা কৃত্রিম ও নাটকীয় মনে হয়েছে। ছবির কাহিনিতে বৈচিত্র্যের অভাব এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু দৃশ্যের কারণে এটি অনেক দীর্ঘ মনে হতে পারে। যারা আইম্যাক্স স্ক্রিনে চোখ ধাঁধানো স্পেশাল ইফেক্ট এবং রায়ান গসলিংয়ের দুর্দান্ত অভিনয় পছন্দ করেন, তাদের জন্য ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ একটি আদর্শ বিনোদন হতে পারে।
সূত্র : ভ্যারাইটি

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel