সালমান আলী আগার প্রতিক্রিয়া দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুলের কক্ষে ডাক পড়বে তার।
সেই অনুমানই সত্যি হলো। বাংলাদেশের বিপক্ষে রান আউট হওয়ার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করায় শাস্তি পেতে হচ্ছে পাকিস্তানের এই ব্যাটারকে।
যদিও লেভেল ১ মাত্রার অপরাধ বলে খুব কড়া শাস্তি অবশ্য পাচ্ছেন না সালমান।
আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কার করা হয়েছে তাকে। পাশাপাশি তার নামের পাশে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল (১৩ মার্চ) দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অস্বাভাবিকভাবে রান আউট হওয়ার পর মাঠে গ্লাভস ও হেলমেট ছুড়ে মারেন সালমান। পরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় তার।
মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আবার গ্লাভস ও হেলমেট ছুড়ে মারেন তিনি।
এতে আইসিসি আচরণবিধির ২.২ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয় সালমানের বিরুদ্ধে। এই ধারায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন কেউ ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম বা পোশাক, মাঠের সরঞ্জাম বা জিনিসপত্রের অপব্যবহার করে থাকলে সাজা পেতে হবে।
মাঠের দুই আম্পায়ার অ্যাড্রিয়ান হোল্ডস্টক ও তানভীর আহমেদ, টিভি আম্পায়ার কুমার ধর্মাসেনা ও চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।
সালমান নিজের দায় স্বীকার করেন এবং ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুলের দেওয়া শাস্তি মেনে নেন। তাই আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
ম্যাচের ৩৯তম ওভারের ঘটনা সেটি। মেহেদী হাসান মিরাজের বল মিড অনের দিকে খেলেন মোহাম্মাদ রিজওয়ান। বল ধরতে ছুটে যান মিরাজ।
নন স্ট্রাইক প্রান্তে সালমান ছিলেন ক্রিজের বাইরে। সেখান থেকে চেষ্টা করেন মিরাজকে আড়াল করতে যেন বল লং অনের দিকে যেতে পারে। কিন্তু সালমানের পেছন থেকেই পা দিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন মিরাজ।
এরপর দুজনই বল নিতে উদ্যত হন। কিন্তু মিরাজ দ্রুত বল তুলে থ্রো করে স্টাম্পসের বেল ফেলে দেন। মিরাজ এতে রান আউটের আবেদন জানালে টিভি আম্পায়ার ধর্মসেনা তাতে সাড়া দেন। এরপরই অমন প্রতিক্রিয়া দেখান সালমান।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে এখন ১-১ সমতা। মিরপুরে আগামীকাল (১৫ মার্চ) সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।