রংপুর বিভাগ

সৈয়দপুরে কোরবানির পশুর মাংস কাটার খাটিয়ার কদর বেড়েছে

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে কোরবানির পশুর মাংস কাটার খাটিয়ার চাহিদা। শহর ও গ্রামাঞ্চলের কাঠের দোকান, স’মিল ও আসবাবপত্র তৈরির কারখানাগুলোতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মাংস কাটার জন্য বিশেষ ধরনের খাটিয়া কিনতে ভিড় করছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার কাজ সহজ করতে প্রতিবছরই এসব খাটিয়ার চাহিদা বাড়ে। তবে এবার চাহিদা আগের বছরের তুলনায় আরও বেশি। কাঠের দাম ও শ্রমিক মজুরি বাড়ায় খাটিয়ার দামও কিছুটা বেড়েছে। তবুও ক্রেতাদের আগ্রহ কমেনি। সৈয়দপুর শহরের কয়েকটি স’মিল ঘুরে দেখা যায়, কাঠ কাটার শব্দে মুখর পুরো এলাকা।

কেউ খাটিয়ার ফ্রেম তৈরি করছেন, কেউ আবার পাটাতন বসানোর কাজে ব্যস্ত। সাধারণত মাঝারি আকারের একটি খাটিয়া ৩শ থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের ও মজবুত তেতুল কাঠের খাটিয়ার দাম আরও বেশি। অপরদিকে শহরের পাঁচমাথা মোড়,কলাহাটি,কাজির হাট,টার্মিনাল আদানীর মোড়,মুন্সিপাড়া মোড়,কলিম হোটেল মোড়,সিদ্দিক মিল মোড়,পুরাতন পোস্ট অফিস মোড়,আমিন মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে বসেছে খাটিয়ার বাজার।

স্থানীয় এক কারিগর বলেন,ঈদের আগে এ সময়টাতেই সবচেয়ে বেশি কাজ থাকে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খাটিয়া বানাতে হচ্ছে। অনেকে আগাম অর্ডারও দিচ্ছেন। ক্রেতাদের ভাষ্য, কোরবানির সময় মাংস কাটার জন্য খাটিয়া খুবই প্রয়োজনীয়। এতে কাজ যেমন সহজ হয়, তেমনি পরিচ্ছন্নভাবেও মাংস কাটতে সুবিধা হয়। অনেকে প্রতিবছর নতুন খাটিয়া কিনছেন, আবার কেউ কেউ পুরোনো খাটিয়া মেরামত করছেন।

এদিকে শেষ সময়ে সৈয়দপুরের পশুর হাটগুলোও জমে উঠছে। দেশি গরু ও ছাগলের সরবরাহ ভালো থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে না। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের ব্যবসায় এখন চলছে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel