রাজশাহী

রাজশাহীতে ২ কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ

রাজশাহী নগরীর সপুরা এলাকায় প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের চার কাঠা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জমির মালিকদের দাবি, কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই জমির একটি অংশ নিজের দাবি করে সেখানে বাঁশের বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ছানা কয়েকদিন আগে লোকজন নিয়ে গিয়ে জমির প্রবেশপথের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং জমির একাংশ ঘিরে ফেলেন। এতে প্রকৃত মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, সপুরা মৌজার ওই জায়গাটি আগে ‘সুখানদীঘি’ নামে পরিচিত একটি বড় পুকুরের অংশ ছিল। পরে জেলা প্রশাসনের অনুমোদনের মাধ্যমে পুকুরের পূর্বাংশ ভরাট করে ভিটা শ্রেণিতে রূপান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে ছোট-বড় প্রায় ২০টি দোকান রয়েছে। দোকানগুলোর পেছনের প্রায় ২৪ শতক জমি মূল মালিকের কাছ থেকে ক্রয় করেন সোহেল রানা, কেয়া আক্তার ও মোসা. সাথীয়ারাসহ কয়েকজন। একই এলাকায় সৌরভ নামে আরেক ব্যক্তি জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী খারিজ ও নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। ভূমি অফিস থেকেও পৃথক খতিয়ান তৈরি করে তাদের মালিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।

জমির অন্যতম মালিক সোহেল রানা বলেন, “আমরা বৈধভাবে জমি কিনেছি, খারিজ করেছি এবং নিয়মিত খাজনা দিচ্ছি। হঠাৎ করেই একজন এসে জমির মাঝখানে বাঁশের বেড়া দিয়ে মালিকানা দাবি করছেন। তিনি কীভাবে জমির মালিক হলেন, তার কোনো বৈধ ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন না।”

তিনি আরও বলেন, জমি কেনার পর সেখানে সবজি চাষ ও বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেই জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জমির বিক্রেতা মনিরুজ্জামান বলেন, “আমি সোহেল রানাসহ চারজনের কাছে জমি বিক্রি করেছি। এর বাইরে অন্য কারও কাছে ওই জমি বিক্রি করা হয়নি।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে পাসপোর্ট অফিস এলাকায় ফরম পূরণের কাজ করতেন। বর্তমানে এলাকায় তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছানা। তিনি বলেন, “আমি সপ্তাহখানেক আগে কাটাখালির নান্নু নামের একজনের কাছ থেকে জমি কিনেছি। আমি নতুন কোনো বেড়া দেইনি, আগেই সেখানে বেড়া ছিল।” তবে তিনি কতটুকু জমি কিনেছেন বা তার মালিকানার কাগজপত্র কী-সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দালালির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“আমার একটি দোকান আছে। সেখানে আবেদনকারীদের ফরম পূরণে সহযোগিতা করা হয়। আমি দালালি করি না।”

রাজশাহী নগরীর সপুরা এলাকায় প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের চার কাঠা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। জমির মালিকদের দাবি, কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই জমির একটি অংশ নিজের দাবি করে সেখানে বাঁশের বেড়া নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ছানা কয়েকদিন আগে লোকজন নিয়ে গিয়ে জমির প্রবেশপথের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং জমির একাংশ ঘিরে ফেলেন। এতে প্রকৃত মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, সপুরা মৌজার ওই জায়গাটি আগে ‘সুখানদীঘি’ নামে পরিচিত একটি বড় পুকুরের অংশ ছিল। পরে জেলা প্রশাসনের অনুমোদনের মাধ্যমে পুকুরের পূর্বাংশ ভরাট করে ভিটা শ্রেণিতে রূপান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে ছোট-বড় প্রায় ২০টি দোকান রয়েছে। দোকানগুলোর পেছনের প্রায় ২৪ শতক জমি মূল মালিকের কাছ থেকে ক্রয় করেন সোহেল রানা, কেয়া আক্তার ও মোসা. সাথীয়ারাসহ কয়েকজন। একই এলাকায় সৌরভ নামে আরেক ব্যক্তি জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী খারিজ ও নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন। ভূমি অফিস থেকেও পৃথক খতিয়ান তৈরি করে তাদের মালিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।

জমির অন্যতম মালিক সোহেল রানা বলেন, “আমরা বৈধভাবে জমি কিনেছি, খারিজ করেছি এবং নিয়মিত খাজনা দিচ্ছি। হঠাৎ করেই একজন এসে জমির মাঝখানে বাঁশের বেড়া দিয়ে মালিকানা দাবি করছেন। তিনি কীভাবে জমির মালিক হলেন, তার কোনো বৈধ ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন না।”

তিনি আরও বলেন, জমি কেনার পর সেখানে সবজি চাষ ও বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেই জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জমির বিক্রেতা মনিরুজ্জামান বলেন, “আমি সোহেল রানাসহ চারজনের কাছে জমি বিক্রি করেছি। এর বাইরে অন্য কারও কাছে ওই জমি বিক্রি করা হয়নি।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি আগে পাসপোর্ট অফিস এলাকায় ফরম পূরণের কাজ করতেন। বর্তমানে এলাকায় তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছানা। তিনি বলেন, “আমি সপ্তাহখানেক আগে কাটাখালির নান্নু নামের একজনের কাছ থেকে জমি কিনেছি। আমি নতুন কোনো বেড়া দেইনি, আগেই সেখানে বেড়া ছিল।” তবে তিনি কতটুকু জমি কিনেছেন বা তার মালিকানার কাগজপত্র কী-সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পাসপোর্ট অফিস এলাকায় দালালির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“আমার একটি দোকান আছে। সেখানে আবেদনকারীদের ফরম পূরণে সহযোগিতা করা হয়। আমি দালালি করি না।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel