ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘর ও ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা দেহাবশেষের ৭৫ জনের গণদাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে গাজা সিটির দারাজ এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের অধিকাংশই ওই এলাকার বাসিন্দা। উদ্ধার করা দেহাবশেষের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছেন আল জাজিরার সংবাদদাতা।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের জনসংযোগ ও গণমাধ্যমবিষয়ক পরিচালক আবদুল্লাহ আল-মাজদালাওয়ি তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুকে জানান, দারাজ এলাকার কয়েকটি ধ্বংস হওয়া বাড়ি থেকে এসব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার সময় বাড়িগুলোতে বাসিন্দারা অবস্থান করছিলেন বলে তাঁদের ধারণা। দেহাবশেষগুলো প্রায় ২০টি ফিলিস্তিনি পরিবারের সদস্যদের বলে জানানো হয়েছে।
দাফনের আগে দেহাবশেষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিগত সামগ্রী ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানো হয়। গণদাফনে শত শত মানুষ অংশ নেন।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহ উদ্ধারের কাজ এখনও কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে চলছে। ভারী যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ।
সংস্থাটির তথ্যমতে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের প্রথম দফার উদ্ধার অভিযানে ৩৩৩টি মরদেহ এবং ৫৫৯ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল। গাজার বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও প্রায় ৮ হাজার ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ আটকে থাকতে পারে বলে সংস্থাটির ধারণা।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় প্রায় ২ লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। দীর্ঘ সংঘাতের ফলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান ও মরদেহ শনাক্ত করার কাজও জটিল হয়ে পড়েছে।
সূত্র: আনাদোলু
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।