ইসরায়েলের নির্বাচনের ফল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন গাজার বাসিন্দারা। তবে দেশটিতে সরকার পরিবর্তন হলেও তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে দ্রুত পরিবর্তন আসবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে গাজার বাসিন্দাদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজার অনেক মানুষ আশা করেছিলেন, নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরাজিত হলে যুদ্ধের পরিস্থিতি বদলাতে পারে। অন্যদিকে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটের অবস্থানও তাঁদের মধ্যে সম্পূর্ণ আশাবাদ তৈরি করতে পারেনি। কারণ, তাঁর নীতিতেও হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত গাজা পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং পুনর্গঠনের বিষয় রয়েছে। কিন্তু পরিকল্পনার প্রাথমিক ধাপের পর অগ্রগতি থমকে গেছে বলে এপি জানিয়েছে।
গাজার বাসিন্দাদের বড় অংশ এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি খাদ্য, আশ্রয় ও নিরাপত্তার সংকট তাঁদের দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। খান ইউনিসে বুধবারের হামলায় একজন নিহত এবং অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ১ হাজার ৫৫০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের এই হিসাবে বেসামরিক মানুষ ও যোদ্ধাদের আলাদা করে দেখানো হয়নি।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।