রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এতে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন। মামলায় ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এর আগে দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, আজই আলোচিত এই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে এবং এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে যা যা করা দরকার, সরকার তাই করবে। এ সময় তিনি জানান, ৫ থেকে ৭ সাত কার্যদিবসের মধ্যেই বিচারকাজ সম্পন্ন হবে এবং আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
গত ১৯ মে সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, প্রতিবেশী জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করেন। আর এই কাজে তাকে সহায়তা করেন স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে ২০ মে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গ্রেফতার করা হয় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় দুজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলা দায়েরের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় আদালতে এই স্পর্শকাতর মামলার চার্জশিট জমা দিলো পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে পল্লবীতে রামিসার বাসায় ছুটে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে আলোচিত এই মামলার চার্জশিট দাখিল ও বিচারকাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।