বিশ্ব

যুদ্ধ ও খরায় সুদানে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি বাড়ছে, তীব্র ক্ষুধায় ৫১ লাখ মানুষ

গৃহযুদ্ধের পাশাপাশি এল নিনো-সংশ্লিষ্ট খরার প্রভাবে সুদানে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি বাড়ছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়োটাস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটিতে বৃষ্টিপাত গত ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে।

এর প্রভাব পড়েছে কৃষিজমি ও গবাদিপশুর ওপর। দারফুর, কর্দোফান ও গেদারেফ অঞ্চলে ফসলের ক্ষতি বিশেষভাবে গুরুতর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিছু কৃষকের ধারণা, তাঁদের এ বছরের ফসলের পরিমাণ গত বছরের মাত্র এক-চতুর্থাংশে নেমে আসতে পারে।

জাতিসংঘ-সমর্থিত খাদ্যনিরাপত্তা মূল্যায়ন ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-এর হিসাব অনুযায়ী, জুন মাসে সুদানে ৫১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে ছিলেন।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি আশঙ্কা করছে, খরার কারণে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আরও ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখে পড়তে পারেন। ২০২৭ সালের আগস্টের মধ্যে এ সংখ্যা আরও ১২ লাখ বাড়তে পারে বলে সংস্থাটির পূর্বাভাস।

অর্থের অভাবে মানবিক সহায়তা কমাতে বাধ্য হচ্ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। একটি বাস্তুচ্যুত মানুষের শিবিরে খাদ্য বরাদ্দ অর্ধেক করার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। চলমান সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
❮
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel
✖
আমাদের সাথে Facebook-এ থাকুন
Facebook Page লোড হচ্ছে...