সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে বাংলাদেশের ইনিংসকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন তৌহিদ হৃদয়। ২৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন এই ব্যাটার। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে ৩০ রানের লিড পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচের তৃতীয় দিন ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ব্যাটিং একপর্যায়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে। ১৮৪ রানে সাত উইকেট হারিয়ে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে তৌহিদ হৃদয় ও তাইজুল ইসলামের ১১৭ রানের জুটি দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেয়।
তাইজুল ২২ রান করে আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট চালিয়ে যান হৃদয়। তাঁর ইনিংসে ছিল ২২টি চার ও ১১টি ছক্কা। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তাঁর প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে সিলেটের মাঠে টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। এর আগে এই মাঠে সর্বোচ্চ ১৭১ রান করেছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়।
বাংলাদেশের ইনিংসে হৃদয়ের অবদান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে দলের কয়েকজন অভিজ্ঞ ব্যাটারের দ্রুত বিদায়ের কারণে। মুশফিকুর রহিম ৩৪, লিটন দাস ৮ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ১৬ রান করে আউট হন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিলেন।
তবে হৃদয়ের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৩৮৬ রানে পৌঁছায় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিকান ও অন্য বোলাররা নিয়মিত উইকেট পেলেও হৃদয়কে থামাতে পারেননি। ইনিংসের শেষ দিকে বাংলাদেশের এক ব্যাটার চোটের কারণে অনুপস্থিত থাকায় দলকে একজন ব্যাটার কম নিয়েই খেলতে হয়।
প্রথম ইনিংসে ৩০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় তাদের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ৭ রান। অর্থাৎ তখনও বাংলাদেশের চেয়ে ২৩ রানে পিছিয়ে ছিল সফরকারীরা। আলোর স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলা শেষ হয়।
সূত্র: আইসিসি
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।