যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে বলে সমালোচনা করেছেন আদালতের বিচারপতি এলেনা কাগান। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটিতে আইন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক প্রচারে অর্থ ব্যয়ের নিয়মসংক্রান্ত আদালতের সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাগানের বক্তব্য অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিজেদের সুবিধামতো নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের সুযোগ পেলে ভোটের সমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা আরও অসম হয়ে ওঠার ঝুঁকি রয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়াতে পারে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাগান আদালতের এমন সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন, যার ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ে বিধিনিষেধ দুর্বল হয়েছে। তাঁর আশঙ্কা, রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় অর্থদাতাদের প্রভাব বেড়ে গেলে নীতিনির্ধারণে সাধারণ ভোটারের স্বার্থ পিছিয়ে পড়তে পারে।
কাগান সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মনোনীত বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের তিনজন উদারপন্থী বিচারপতির একজন। তাঁর বক্তব্য আদালতের ভেতরে মতপার্থক্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থার নিয়ম নিয়ে চলমান বিতর্ককে সামনে এনেছে।
তবে কাগানের মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত বিচারিক অবস্থান ও সমালোচনা। এগুলোকে আদালতের সব বিচারপতির সম্মিলিত মতামত হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।
সূত্র: রয়টার্স।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।