রংপুর মহানগরে নাশতা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ১৭ বছর বয়সী এক বাক্প্রতিবন্ধী কিশোরকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মতিন (৬১) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর গণপিটুনিতে আহত হন তিনি। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার আব্দুল মতিন রংপুর সিটি করপোরেশনের হারাগাছ থানার চাঁদকুঠি সদবাজার এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে কিশোরটি চাঁদকুঠি সদবাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় নাশতা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে আব্দুল মতিন তাকে একটি গুদামের পাশের ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরে কিশোরটিকে সদবাজার এলাকায় রেখে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। এ সময় কিশোরের কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁর লুঙ্গিতে রক্তের দাগ দেখতে পেয়ে তাঁরা ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। পরে কিশোরটি তাঁদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন আব্দুল মতিনকে আটক করে মারধর করেন। তবে একপর্যায়ে তিনি তাঁদের হাত থেকে পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরটিকে উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা তাকে প্রথমে হারাগাছ ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওই রাতেই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান বলেন, এ ঘটনায় রোববার দিবাগত গভীর রাতে ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে আব্দুল মতিনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেছেন।
ওসি আরও জানান, স্থানীয় লোকজনের মারধরে আহত হয়ে আব্দুল মতিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।