বিশ্ব

গাজায় ৬৭ শতাংশ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়

গাজায় অপুষ্টি ও অনাহার এখন “বিপর্যয়কর” পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও খাদ্য ও চিকিৎসা সরবরাহ যথেষ্ট পরিমাণে প্রবেশ করতে না পারায় এ সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

শুক্রবার, বিশ্ব খাদ্য দিবসে প্রকাশিত বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৬৬ জন ফিলিস্তিনি অপুষ্টি ও অনাহারে মারা গেছেন। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ শিশু। প্রবীণদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—১৮৯ জন, যা মোট মৃত্যুর ৪০ শতাংশেরও বেশি। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রবীণদের ১১ শতাংশ একদিনও খাবার পাননি এবং প্রায় অর্ধেক নিজেদের খাবারের অংশ কমিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের খাওয়াতে বাধ্য হয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুমান করছে, আগামী এপ্রিল ২০২৭ পর্যন্ত অন্তত ৭৪ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টির চিকিৎসার প্রয়োজন হবে। গর্ভবতী নারীদের মধ্যে রক্তশূন্যতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ শতাংশে, যা যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল ৪১ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গাজায় প্রায় ৪,০০০ গর্ভপাতের ঘটনা ঘটেছে, যা আগের সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, গাজার মোট জনসংখ্যার ৬৭ শতাংশ—প্রায় ১৪ লাখ মানুষ—২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত সংকট পর্যায়ের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।

জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, গাজায় দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় অর্জিত অগ্রগতি এখন ঝুঁকির মুখে। তারা বলেছে, খাদ্য ও চিকিৎসা সরবরাহের প্রবাহ অব্যাহত না থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, “শিশু ও পরিবারের ওপর এর প্রভাব ভয়াবহ হবে যদি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। আমরা আবার সেই অবস্থায় ফিরতে পারি না যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় খাদ্য ও সেবা পাচ্ছে না।”

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
❮
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel
✖
আমাদের সাথে Facebook-এ থাকুন
Facebook Page লোড হচ্ছে...