মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নামতে হওয়ার ঘটনাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর অভিযোগ, ইশরাককে সরিয়ে দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে কেন নিজেই অস্ত্র হাতে মাদকের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হলো? তাঁর মতে, এ ঘটনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর ভাষ্য, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করলে একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে মাঠে নামতে হতো না। তাই এ পরিস্থিতির দায় শুধু ইশরাক হোসেনের নয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও রয়েছে।
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দিলেই যদি সমস্যার সমাধান হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করা হবে?
রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, একই ধরনের প্রশ্ন ওঠে যখন প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে গিয়ে শৌচাগার পরিদর্শন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে প্রধানমন্ত্রীকে কেন সরেজমিনে গিয়ে এসব দেখতে হবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা আড়াল করতে ব্যক্তিকে দায়ী করে সংকট মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। ভবিষ্যতে এসব ব্যর্থতার কারণে জনগণ রাস্তায় নেমে এলে সরকার কাকে পদত্যাগ করিয়ে দায় এড়াবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘দিনশেষে ঘের দখল, দুর্নীতি ও ঘুষের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের ব্যর্থতার বলি হতে হবে জনাব ইশরাক হোসেনদের।’
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।