মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং গাজায় যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে কাতার ও ফ্রান্স। বুধবার কাতারের রাজধানী দোহায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে কোনো বাধা বা অতিরিক্ত ফি ছাড়াই নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। কাতারের মধ্যস্থতাকারী ইব্রাহিম বিন সুলতান আল হাশিমি মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং প্রণালিটি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালুর জন্য আলোচনা চলছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও বুধবার বলেছেন, তাঁর দেশ কূটনীতিকে আরেকটি সুযোগ দিতে প্রস্তুত। তবে একই বিবৃতিতে কাতার ও ফ্রান্স অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর ইরানের সামরিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতা ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা নিরাপদে ও বাধাহীনভাবে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির হিসাবে, গাজার প্রায় ১৪ লাখ মানুষ—মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ—সংকটজনক বা তার চেয়ে খারাপ মাত্রার খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
পশ্চিম তীরকে সংযুক্ত করার যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা এবং ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধের আহ্বানও জানিয়েছে দুই দেশ। লেবানন ও সিরিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়েও সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে কাতার ও ফ্রান্স।
সুত্র: আল জাজিরা
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।