সৌদি আরবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের জরুরি নয়—এমন কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর বিমানবন্দরটি সীমিত পরিসরে আবার চালু করা হয়েছে। এর আগে মাসের শুরুর দিকে হুতিদের হামলার কারণে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বুধবার সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পৃথক হামলায় একজন নিহত এবং আটজন আহত হন। হামলার পর কয়েকটি ফ্লাইটের গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়।
হামলাগুলোর জন্য দায়ী কারা, তা সব ক্ষেত্রে নিশ্চিত করা যায়নি। তবে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় আগের হামলাগুলোর সঙ্গে ইরান-সমর্থিত হুতিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি সামরিক শিবিরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সেখানে সাময়িকভাবে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসকর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই নির্দেশের অর্থ সব মার্কিন কূটনীতিককে সরিয়ে নেওয়া নয়; প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্দেশটি জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন—এমন কর্মী ও তাঁদের পরিবারের জন্য।
সুত্র: এনডিটিভি
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।