কেনিয়ায় আবারও ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন রোগী একজন ৬৫ বছর বয়সী নারী, যিনি প্রথম ও দ্বিতীয় রোগীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। তাকে ৬ অক্টোবর থেকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে জ্বর, গলা ব্যথা ও দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে তাকে আলাদা করে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় বান্দিবুগিও স্ট্রেইন ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোগীকে দ্রুত শনাক্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন, ফলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
কেনিয়ার প্রথম রোগী ছিলেন একজন পুরুষ, যিনি কঙ্গোতে অসুস্থ হওয়ার পর উগান্ডা হয়ে নাইরোবি আসেন। ৩ অক্টোবর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ৫ অক্টোবর মারা যান। এরপর তার এক আত্মীয় দ্বিতীয় রোগী হিসেবে শনাক্ত হন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১৩০ জন সংস্পর্শে আসা ব্যক্তির মধ্যে ১২৭ জনকে খুঁজে বের করে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তারা আশ্বস্ত করেছে, এখনো কোনো কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়নি এবং জনসাধারণের ঝুঁকি কম।
বান্দিবুগিও স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত ভ্যাকসিন নেই। তবে গবেষণা চলছে এবং কয়েকটি ভ্যাকসিন মানুষের ওপর প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এদিকে আফ্রিকার শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আফ্রিকা সিডিসি ও কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ইবোলা মোকাবিলায় ব্যবহৃত অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক দাতাদের দেওয়া প্রায় ৯৬২ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৭০০ মিলিয়নেরও বেশি অর্থের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।
কঙ্গোতে ইবোলা ইতোমধ্যে আটটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সর্বশেষ উত্তর উবানগি প্রদেশে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সীমান্তবর্তী এলাকা।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।