হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা উপত্যকার সঙ্গে থাকা সীমান্ত ক্রসিংগুলো দুই দিন বন্ধ রাখার পর বৃহস্পতিবার পুনরায় খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। রকেট হামলার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার সীমান্তপথগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে গাজায় প্রবেশ ও সেখান থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ক্রসিংগুলো পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সব প্রবেশপথ একইভাবে চালু হয়েছে কি না, কী পরিমাণ পণ্য বা মানবিক সহায়তা প্রবেশ করতে পারছে এবং মানুষের চলাচলে কী ধরনের বিধিনিষেধ রয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
গাজার সীমান্ত ক্রসিংগুলো খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ও অন্যান্য জরুরি পণ্য প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আহত ও অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়া এবং বিদেশে থাকা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এসব পথের ভূমিকা রয়েছে।
ইসরায়েল জানিয়েছে, সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রকেট হামলার পর। গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দুই পক্ষের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ও বিচ্ছিন্ন সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, হামাস যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে; হামাস পাল্টা অভিযোগ করে বলছে, ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপ ও সীমান্তসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে।
সীমান্ত খুলে দেওয়া হলেও গাজায় মানবিক সহায়তা সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য এখনো নেই। ক্রসিংগুলোর কার্যক্রম, প্রবেশের অনুমতি এবং পণ্য পরিবহনের পরিমাণ সম্পর্কে আরও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রয়োজন।
সূত্র: রয়টার্স
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।