পাবনায় দুই রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় ৪৫ ঘণ্টা পর মামলা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নিহত শ্রমিক দল নেতা রিপন হোসেনের ভাই রুবেল হোসেন বাদী হয়ে আতাইকুলা থানায় মামলাটি করেন।
আতাইকুলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ কুমার সাহা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঘটনার কোনো সূত্র পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, এখনই এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে প্রতিপক্ষের গুলিতে হাটের ইজারাদারসহ দুজন নিহত হন।
নিহতরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ও হাটের ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী (৫৫) এবং তাঁর ভাগ্নে আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন হোসেন (৫০)। আব্দুস সালাম ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত আরজ আলী ব্যাপারীর ছেলে। রিপন একই এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আব্দুস সালামকে জামায়াতের বিভিন্ন মিছিল ও সমাবেশে দেখা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পুষ্পপাড়া হাটের ইজারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার সময় হাটের বর্তমান ইজারাদার আব্দুস সালাম হাজী ও তাঁর ভাগ্নে রিপন হাটের পাশে নিজেদের কার্যালয়ে বসে নাশতা করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের কয়েকজন মুখোশধারী এসে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।