নাটোরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ১৩৯ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে কলেজ, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদরাসায় রয়েছে। জেলার ছয়টি উপজেলার এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরিত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তালিকায় নাটোর সদর, বাগাতিপাড়া, গুরুদাসপুর, লালপুর, সিংড়া ও নলডাঙ্গা উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নাম উল্লেখ রয়েছে।
নাটোর সদর উপজেলায় বেগম খালেদা জিয়া মহাবিদ্যালয়ে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৮ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। বাগাতিপাড়া উপজেলায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে বাগাতিপাড়া পৌর মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে ১ জন, তমালতলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজে ২ জন এবং চিঞ্চিলা হাই স্কুল অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজে ১০ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তিনটি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
এ বিষয়ে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক জেলা শিক্ষা অফিসার রুস্তম আলী হেলালি বলেন, শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬টি নন এমপিওভুক্ত এবং নলডাঙ্গার দুটি এমপিওভুক্ত স্কুল এন্ড কলেজ রয়েছে। আমরা এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, নন এমপিওভক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অবৈতনিক। সেখানে লেখাপড়ার মান কিছুটা হলেও নিম্নগামী।
এসব কারণে অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি যাতে আগামীতে এ ধরনের ফলাফল না আসে।
সচেতন নাগরিক কমিটির নাটোর শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ (অবসরপ্রাপ্ত )আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ফল বিপর্যয় প্রমাণ করে সেখানে ঠিকমত লেখাপড়া করানো হয়না। । আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন এবং শিক্ষার্থীরা যাতে যথাযথ শিক্ষা অর্জন করতে পারে সে বিষয়টি নজরদারিতে আনবেন।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।