বাংলাদেশের জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় ইলেকট্রনিক টাইমিং প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ২২ অক্টোবর প্রকাশিত দ্য ডেইলি স্টারের ক্রীড়া প্রতিবেদনে এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে কোকো ১৮তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা।
অ্যাথলেটিকসে দৌড়ের ফল নির্ধারণে সময়ের নির্ভুলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্বল্প দূরত্বের স্প্রিন্টে প্রতিযোগীদের মধ্যে ব্যবধান খুব সামান্য হলে হাতে সময় নেওয়ার পদ্ধতির বদলে ইলেকট্রনিক টাইমিং অধিক নির্ভুল ফল দিতে পারে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এই প্রযুক্তির ব্যবহার প্রচলিত। বাংলাদেশেও এর ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় নতুন ও অভিজ্ঞ অ্যাথলেটদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের ফলাফল নথিভুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। ইলেকট্রনিক টাইমিং নিয়মিতভাবে ব্যবহার করা গেলে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত সেরা সময়, জাতীয় রেকর্ড এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণে সুবিধা হতে পারে।
তবে আয়োজকদের ঘোষণায় ঠিক কোন কোন ইভেন্টে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হবে, কী ধরনের যন্ত্রপাতি থাকবে এবং প্রতিযোগিতার সব দিনেই এই সুবিধা কার্যকর থাকবে কি না—এসব বিষয়ে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই। তাই প্রতিযোগিতা শুরু হলে আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও ফলাফল থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।