রাজশাহী

বগুড়ায় জাইমা রহমানের জন্মদিনে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করেছেন বগুড়ার মীর শাহে আলম ফাউন্ডেশন। কর্মসূচির প্রথম দিনে আজ শনিবার বগুড়ার মোকামতলার সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এদিন সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে প্রায় দুই হাজার মানুষ চক্ষু চিকিৎসাসেবা পান। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০০ জনের ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন আগামীকাল রবিবার শিবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে মোকামতলা ও শিবগঞ্জ উপজেলার ৬ শতাধিক প্রতিভাবান ছাত্রীদের বিনামূল্যে বাইসাইকেল উপহার দেবেন প্রতিমন্ত্রী।

চোখের চিকিৎসা নিতে আসা সৈয়দপুর ইউনিয়নের সরদারপাড়া গ্রামের লাভলী বেওয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘তারেক বাবার বেটি জাইমাক যেন আল্লাহ বহুদিন বাঁচে রাখে বাবা। হামরা গরিব মানুষ, ট্যাকার অভাবে চোখ কাটতে পাচ্চিনে। জাইমার অছিলায় আল্লাহ হামার চোখটা ভালো করে দিচ্ছে। আল্লাহ জাইমাক, তারেক বাবাক আর মীর শাহে আলমক ভালো রাখুক।’

শুধু লাভলী বেওয়া নন, একইভাবে কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের জন্য দোয়া করেছেন সৈয়দপুর গ্রামের বৃদ্ধা সাহেদা, নয়াপাড়া গ্রামের বৃদ্ধ কছিমদ্দিনসহ অন্তত দুই হাজার অসহায় মানুষ। কারো চোখে দীর্ঘদিনের জমে থাকা কষ্ট, কারো মনে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার আশা।

যাদের কাছে চোখের অপারেশনের খরচ জোগাড় করাই ছিল দুঃসাধ্য, তাদের অনেকের কাছে এই আয়োজন হয়ে উঠেছে নতুন করে পৃথিবী দেখার স্বপ্ন। লাভলী বেওয়ার মতো মানুষের সরল ভাষার সেই আকুতি যেন বলে দেয়-গরিবের কাছে চোখের আলো ফিরে পাওয়া শুধু চিকিৎসা নয়, জীবনের আলো ফিরে পাওয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার। সরকারের সাত মাসের মধ্যেই বগুড়া-২ আসনসহ সারা দেশে সমভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মানুষের কল্যাণই সরকারের মূল লক্ষ্য।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াত বেহেশতের লোভ দেখিয়ে মানুষের ভোট নিয়েছে, কিন্তু ভোটের পর তাদের আর মানুষের পাশে দেখা যাচ্ছে না। জামায়াত এমন একটি সংগঠন, যারা নিজেদের কর্মীদের পাশাপাশি একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না। যারা জামায়াতকে ভোট দিয়েছেন, তারা এখন আফসোস করছেন। ভুল করে যারা ভোট দিয়েছেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘নির্বাচনের আগে পূজা নিয়ে অনেক কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের খোঁজ নেওয়ার সময় তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে, অথচ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের কল্যাণ নিয়েও তাদের কোনো কথা নেই। আপনাদের সন্তান তারেক রহমান ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতনের ব্যবস্থা করেছেন।’

তিনি বলেন, “আমরা ‘আমি-ডামি’ নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চাই না। জনগণের কল্যাণে কাজ করেই পাঁচ বছর পর আবারও জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চাই, ইনশাআল্লাহ। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।”

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
❮
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel
✖
আমাদের সাথে Facebook-এ থাকুন
Facebook Page লোড হচ্ছে...