দিনাজপুর প্রতিবেদকঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সৈয়দা তামিমা খাতুন (৪৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলা সদরের তর্পনঘাট গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার তামিমা ওই গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে।
এর আগে সোমবার উপজেলার সাহাবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ওই নারীসহ দুজনের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগে থানায় মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবা লুৎফর রহমানের প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ এবং প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্তরা দুই দফায় মোট ৫ হাজার ৩০০ টাকা নেন। এ জন্য চিকিৎসকের স্বাক্ষরযুক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
কয়েক দিন পর অভিযুক্তরা একটি প্রতিবন্ধী সনদ, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রত্যয়নপত্র দেন। ভুক্তভোগী এসব কাগজপত্র উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেগুলো ভুয়া বলে শনাক্ত করেন।
বাদী সাহাবুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাসে দুই দফায় ৫ হাজার ৩০০ টাকা নেওয়া হয়। পরে তাঁকে কয়েকটি ভুয়া কাগজপত্র দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি আরও জানান, শুধু তাঁর কাছ থেকেই নয়, এই চক্রের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকেও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ গত ২ আগস্ট উর্মি খাতুন নামের এক নারীর কাছ থেকেও চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহের আশ্বাসে এক হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।