দিনাজপুর প্রতিবেদক: হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)-এ অধ্যয়নরত নেপাল, ভুটান, ভারত, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়াসহ ৬টি দেশের ৮৮জন বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা’র এক আন্তরিক মতবিনিময় সভা আজ বিকাল ৫ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার।
সভাপতিত্ব করেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেকশন এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. হাসানুজ্জামান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান, ইন্টারন্যাশনাল হলের হল সুপার প্রফেসর ড. মো. আদনান আল বাচ্চু, বেগম রোকেয়া হলের হল সুপার প্রফেসর ড. মো. মোশারফ হোসেন ভূঞা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস এম এমদাদুল হাসান এবং ইন্টারন্যাশনাল হলের সহকারী হল সুপার প্রফেসর ড. মারুফ আহমেদ। সঞ্চালনা করেন ইন্টারন্যাশনাল হলের সহকারী হল সুপার মোতাহারুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় বিদেশী শিক্ষার্থীরা বর্তমান প্রশাসন কর্তৃক হলের নানামুখী সেবামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা ভবিষ্যতে তাদের ভিসা সহজীকরণ, স্বতন্ত্র ফরেন স্টুডেন্ট হল, স্টাইপেন্ড, ডীনবৃত্তি, হলের ফি কমানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক এ ধরণের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীরা ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, দেশের পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে হাবিপ্রবিতে সর্বাধিক সংখ্যক বিদেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দদায়ক সুনামের বিষয়। ইতোমধ্যে, হাবিপ্রবি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আমাদের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বহুসাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, বিদেশী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ব্যক্তিগত জীবন সুন্দর করতে যা যা করা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এসব বিষয়ে আমরা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। দেশী শিক্ষার্থীরা ডীনবৃত্তি পায় কিন্তু তোমরা এটা পাওনা, এখন থেকে তোমরাও এই বৃত্তি পাবে। তোমাদের একাডেমিক অগ্রগতি, নিরাপত্তা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষাজীবনে যেকোনো সমস্যা বা প্রয়োজনে প্রশাসন তোমাদের পাশে থাকবে।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।