রিয়াল বেটিসকে ৫-২ গোলে হারিয়ে লা লিগার শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে বার্সেলোনা। একই সঙ্গে মৌসুমের শুরুতে টানা জয়ের ধারায় ৫৮ বছর আগের একটি রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল।
শনিবার লা কারতুখা স্টেডিয়ামে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল, রদ্রি, গাব্রিয়েল জেসুস, এরিক গার্সিয়া ও দানি ওলমো। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া বেটিস শেষ পর্যন্ত বড় হার এড়াতে পারেনি।
ম্যাচের ১০ম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। বক্সের কাছে বল পেয়ে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।
তবে ২৯তম মিনিটের আগেই সমতায় ফেরে বেটিস। কর্নার থেকে আসা বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হয় বার্সেলোনার রক্ষণ। সেই সুযোগে পাবলো ফোর্নালসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ভালেন্তিন গোমেস।
এরপর কর্নার থেকে হেডে বার্সেলোনাকে আবার এগিয়ে দেন রদ্রি। ক্লাবটির হয়ে এটি তাঁর প্রথম গোল। বিরতির আগে জিওভানি লো সেলসোর দূরপাল্লার শটে বেটিস সমতায় ফেরার সম্ভাবনা তৈরি করলেও ভিএআর পর্যালোচনায় আক্রমণের শুরুতে কুচো এর্নান্দেজের হ্যান্ডবল ধরা পড়ায় গোলটি বাতিল হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইয়ামালের কাটব্যাক থেকে ব্যবধান বাড়ান জেসুস। এর কিছুক্ষণ আগে অফসাইডের কারণে তাঁর আরেকটি গোল বাতিল হয়েছিল। তবে বেটিস দ্রুতই ব্যবধান কমায়। এজ আবদে গোল করে স্বাগতিকদের লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন।
এরপর ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করায় লাল কার্ড দেখেন বেটিসের ফাকুন্দো বের্নাল। ফলে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় দলটিকে। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ খেলোয়াড়ের সুবিধা কাজে লাগিয়ে বার্সেলোনার চতুর্থ গোলটি করেন এরিক গার্সিয়া। পাউ কুবারসির হেড থেকে পাওয়া বলে কাছ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। শেষ দিকে বদলি হিসেবে নেমে বক্সের কিনারা থেকে দারুণ শটে দলের পঞ্চম গোলটি করেন দানি ওলমো।
এই জয়ে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের ব্যবধান পাঁচ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আতলেতিকো এর আগে এসপানিওলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা বেটিস শীর্ষ দলের চেয়ে আট পয়েন্ট পিছিয়ে। রিয়াল মাদ্রিদ রোববার সেভিয়ার মুখোমুখি হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের গড়া মৌসুমের শুরুতে টানা নয় জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ফ্লিকের দল টানা ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছে।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।