যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাম্প্রতিক যৌথ সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে পিয়ংইয়ং। একই সঙ্গে নিজেদের পারমাণবিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে দেশটি।
রয়টার্সের ২ নভেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সোমবার এ বিষয়ে দেশটির কর্মকর্তাদের বক্তব্য প্রকাশ করে।
ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির উপবিভাগীয় পরিচালক কিম জং সিক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার ‘আয়রন মেস’ মহড়া প্রমাণ করে, উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রের মাধ্যমে চাপে রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচলিত সামরিক শক্তির সমন্বয়ের বিষয়টি অনুশীলন করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি তদারকির দায়িত্বে থাকা কিম জং সিকের এমন নীতিগত বক্তব্য দেওয়া বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
গত সেপ্টেম্বরে সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের পর দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী সোমবার জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সীমান্তে লাউডস্পিকারে প্রচার শুরু করেছে—এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই।
সূত্র: রয়টার্স।
📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের
ইনস্টাগ্রাম
ভিজিট করুন।