দিনাজপুর

দিনাজপুরে পুজার্চনার মধ্য দিয়ে শতবর্ষের মা মনসার মন্দিরে মনসা পূজা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র কালিতলাস্থ শতবর্ষের মনসা কুঠিরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সেবায়েত শ্রী গোবিন্দ নারায়ন ভট্টাচার্যের আয়োজনে প্রতি বছরের মত এবারও তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৩৩৪ বাংলা সনে প্রতিষ্ঠিত দিনব্যাপী ও ত্রিপ্রহরের শ্রী শ্রী মা মনসার পূজার্চনা ও ভক্তবৃন্দের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে।

পূজার্চনায় অংশগ্রহণ করেন সেবায়েত গোবিন্দ নারায়ন ভট্টাচার্য, তার স্ত্রী শীলা রানী ভট্টাচার্য, কন্যা মাধুরী ও মঞ্জুরী ভট্টাচার্য এবং বোন গৌরি, শংকরী, রানা ও হাসি ভট্টাচার্য এবং ভগ্নীপতি অশ্বিনি চক্রবর্তীসহ এলাকার নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ। মনসা পূজায় পুরহিত হিসেবে পূজার্চনা করেন পুরহিত সুজন মুখার্জী।

হিন্দু ধর্মীয়ভাবে কাঙ্খিত আছে চাঁদ সওদাগর তিনি ছিলেন শিবের ভক্ত। তিনি কোন ভাবেই মা মনতার পূজা করতে না থাকার কারণে মা মনসা তার সন্তানদের মেরে ফেলে এবং ব্যবসার বজরা ডুবিয়ে ক্ষতিসাধন করতে থাকেন মা মনসা।

শেষে তার শেষ পুত্র লখিন্দর বেহুলার বিয়েতে বাসর রাতে লোহার বাসর ঘরে সাপ প্রবেশ করে লখিন্দরকে মেরে ফেলে। সতি বেহুলা তাকে নিয়ে ভেলায় করে নদীতে ভাসতে ভাসতে দেবতার সভায় উপস্থিত হয় এবং নৃত্যের মাধ্যমে দেবতাদের মন জয় করলে তার স্বামী লখিন্দরের জীবন ফিরে পায়।

শর্ত সাপেক্ষে বেহুলা লখিন্দর দেবতাদের কথা দেয় যে তার শ্বশুর চাঁদ সওদাগর মা মনসার পূজা করবে। কথা অনুযায়ী চাঁদ সওদাগর পূজা দেয় তবে বাম হাত দিয়ে। সেই থেকে মর্তে মা মনসার পূজা হয়ে আসছে।

📷 ইনস্টাগ্রাম নোটিশ:
সার্ভারে জায়গা স্বল্পতার কারণে ছবি সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে না। ছবি পেতে আমাদের ইনস্টাগ্রাম ভিজিট করুন।

এই বিভাগের আরো খবর
Follow Us
Facebook Page Facebook Group WhatsApp Channel